
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার দীর্ঘ ৫ মাস পর গত (শুক্রবার ২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
এরপর থেকেই মন্ত্রী হওয়ার খবরে নরসিংদীতে শুরু হয় আনন্দ-উচ্ছ্বাস।
স্থানীয় নেতাকর্মী সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে দেখা দেয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
ড. আবদুল মঈন খান একজন অভিজ্ঞ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক। এমন একজন সুদক্ষ মানুষকে সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পরপরই পলাশ তথা নরসিংদী এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দেয়। এসময় স্থানীয় নেতাকর্মীরা আনন্দে মিষ্টি মুখ করেন। এরপর ঢাকার গুলশানে মঈন খানের বাসভবনে গিয়ে পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সাধারণ প্রফেসর সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন ভূইয়া মিল্টন, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন,পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির, সাধারণ সম্পাদক নূরে-আলম রনি,পলাশ উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আল-আমিন ভূইয়া, যুবদলের সভাপতি এড. এম এ বাছেদ, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খান, পলাশ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাজমুল হোসেন ভূইয়া সোহেল, সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান পাপন, ঘোড়াশাল পৌর যুবদলের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, ছাত্রদলের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান ও সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম আরিফ সহ নরসিংদী-২ আসনের নেতাকর্মী ও পুরো জেলার নেতাকর্মীরা সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ মঈন খানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এক কথায় নেতাকর্মীদের ফুলে ফুলে সিক্ত হন মঈন খান।
এছাড়াও রবিবার সকালে প্রথম কর্মদিবসে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অফিসে গেলে সেখানে সচিব সহ কর্মকর্তাদের ফুলেল শুভেচছা সিক্ত হন তিনি।
এর আগেও তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর হাত ধরে পলাশ তথা নরসিংদীর ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষা-প্রযুক্তির অগ্রগতি হয়েছিল।
পুনরায় তিনি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ায় এই অঞ্চলসহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ।