1. admin@jonogonerbani.com : admin :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পলাশে ভূমিদস্যু জাকাত ভূইয়ার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের সেবা ও গণতন্ত্রের জন্য রাজনীতি করে: এলজিআরডি মন্ত্রী ড. মঈন খান ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানায় বকেয়া বেতন ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ইসলামের আদর্শ অনুসরণ করেই প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন- ড. মঈন খান ড. মঈন খান মন্ত্রী হওয়ায় পলাশে মিষ্টি বিতরণ মন্ত্রী হওয়া’র পর ফুলে ফুলে সিক্ত ড. আব্দুল মঈন খান ড. আব্দুল মঈন খান ‘স্হানীয় সরকার মন্ত্রী’ খবরে- আনন্দে নেতাকর্মীদের মিষ্টি বিতরণ নরসিংদীর পলাশে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন পলাশে খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালিত, আপোষহীন নেত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে অঙ্গীকার নেতাকর্মীদের পলাশে ছাত্রদল নেতা মাসুম হত্যার প্রধান আসামীসহ কক্সবাজার থেকে ৫ জন গ্রেপ্তার

বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে যুবদল নেতার শুভেচ্ছা

মোঃ নাজমুল হক মণি
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৫ আগস্ট শুভ জন্মদিন উপলক্ষে ডাংগা ইউনিয়ন যুবদলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

এ উপলক্ষে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাংগা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মনিরউজ্জামান মনির এক শুভেচ্ছা বার্তায় প্রকাশ করেন।

১৫ আগস্ট দেওয়া ওই শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু, সুস্থতা ও সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করেন। বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, “মা, মাটি ও মানুষের নেত্রী” বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোটাধিকার ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর সাহসী ও দৃঢ় নেতৃত্ব দেশের ইতিহাসে অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

শুভেচ্ছা বার্তায় মনিরউজ্জামান মনির বলেন, “তুমি ছিলে, তুমি আছো, তুমি থাকবে”—এই অঙ্গীকার নিয়েই আমরা খালেদা জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাবো। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অচিরেই দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে দেশের মানুষের মাঝে ফিরে আসবেন এবং জাতিকে পুনরায় সঠিক পথে নেতৃত্ব দেবেন।

উল্লেখ্য: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জন্ম নেন। তাঁর বাবা এস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনী হলেও তিনি দিনাজপুরে বসবাস করতেন। খালেদা জিয়ার জন্ম সেখানেই। তাঁর মায়ের নাম তৈয়বা মজুমদার।

১৯৬০ সালের আগস্টে ততকালীন সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় বেগম খালেদার। এ দম্পতির ঘরে ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর তারেক রহমান ও ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট আরাফাত রহমান কোকোর জন্ম।

১৯৮১ সালের ৩০ মে ততকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে নিহত হন। এর পর পরই জিয়াউর রহমানের গড়া বিএনপির রাজনীতিতে আসেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ১৯৮২ সালের জানুয়ারি বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হন।

স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের পর ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এ পর্যন্ত তিন দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন খালেদা জিয়া। ১৯৯৩ সালে তিনি সার্কের প্রথম মহিলা চেয়ারপারসন হন। ২০০১ সালের ১ অক্টোবরের নির্বাচনে জয়লাভের পর খালেদা জিয়া তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে।

গণতন্ত্রের প্রতি অসামান্য অবদানের জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে “মাদার অব ডেমোক্রেসি ” সম্মাননা দিয়েছেন কানাডিয়ান হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন।

বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির নেতা-কর্মীদের কাছে তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, আপোষহীন নেত্রী এবং গণতন্ত্রের জননী হিসেবেও পরিচিত।

আরো খবর দেখুন এখানে
© জনগণের বাণী | আইটি সহায়তাঃ সাব্বির আইটি
Developed By Bongshai IT