1. admin@jonogonerbani.com : admin :
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে বিএনপি: ড. মঈন খান পলাশে ৫ শতাধিক শ্রমজীবী মানুষদের নিয়ে ছাত্রনেতা সোহেলের দোয়া ও ইফতার মাহফিল মব সৃষ্টির অবসান ঘটিয়ে স্বপদে বহাল প্রধান শিক্ষক বরুণ চন্দ্র দাস বাংলাদেশকে পুনরায় সংগঠিত করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: ড.মঈন খান ভাষা শহীদদের প্রতি পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা: যুবদল নেতা মনিরুজ্জামান মনির নরসিংদীর পাঁচটি আসনে বিএনপির বিপুল ভোটে বিজয়ী আল-জাফ্রান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত রমজানের ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন নরসিংদীর ডাংগা জামেয়ায়ে আশরাফুল উলুম দাখিল মাদরাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ধানের শীষে ভোট দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে: ড.আব্দুল মঈন খান

নরসিংদীতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে পেটালেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য

মোঃখায়রুল ইসলাম
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০২২

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ইছাখালি ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুর রহিম পাঠানের বিরুদ্ধে। গত সোমবার (১৩ জুন) বিকালে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের তালতলি বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার রাতেই ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ আ.ক.ম রেজাউল করিম পলাশ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ আ.ক.ম রেজাউল করিম জানান, ইছাখালি ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি নিয়ে প্রায় ৪/৫ মাস ধরে এলাকার কয়েক জনের সাথে মনোমালিন্য চলে আসছিল। সেই সুযোগে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রহিম পাঠান মাদ্রাসার রশিদ বই নিয়ে গিয়ে কোনো হিসেব দিচ্ছিলেন না। এসব নিয়ে আব্দুর রহিম পাঠানের সাথে একাধিকবার মনোমালিন্য হয়।অধ্যক্ষ আরও জানান, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য আব্দুর রহিম পাঠান বিশৃঙ্খলা করার জন্য একটি নাটক সাজিয়ে সোমবার সকালে তার ছেলে (এই মাদ্রাসার দাখিল ১০ম শ্রেণির ছাত্র) মেহেদী পাঠানকে মাদ্রাসায় পাঠায়। এ দিন মাদ্রাসায় অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা শুরুর প্রায় ১০ দিন পূর্বে মাদ্রাসার বেতন, সেশন চার্জ ও পরীক্ষার ফিস পরিশোধ করার নোটিশ থাকার পরও পরীক্ষার দিন (সোমবার) সকালে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষকে মৌখিকভাবে অনুরোধ করেন মেহেদী পাঠান। এ সময় ছাত্র মেহেদীকে তার বাবাকে ফোন দিয়ে আনার কথা বলেন অধ্যক্ষ রেজাউল করিম।এর কিছুক্ষণ পর পরিচালনা কমিটির সদস্য আব্দুর রহিম পাঠান মাদ্রাসায় এসে অধ্যক্ষের রুমে প্রবেশ করেই দুর্ব্যবহার শুরু করেন। পরে অধ্যক্ষ রেজাউল করিম এক সহকারী শিক্ষকের মোটরসাইকেল দিয়ে বাড়ি যাওয়ার জন্য মাদ্রাসা থেকে বের হন। মাদ্রাসার বাইরে আগে থেকেই উৎপেতে থেকে আব্দুর রহিম পাঠান সামনে দাঁড়িয়ে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে রাস্তায় ফেলে অধ্যক্ষকে পেটাতে থাকেন। এরপর আশপাশের লোকজন ছুটে এলে আব্দুর রহিম পাঠান চলে যায়।এ বিষয়ে আব্দুর রহিম পাঠানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মারধর করার ঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন, পরীক্ষার দিন আমার ছেলেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার বিষয়টি রাস্তায় দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করার জন্যই মোটরসাইকেল থামাতে বলেছিলাম। ওনাকে কোনো মারধর করা হয়নি।এ ব্যাপারে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, অধ্যক্ষকে মারধরের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আরো খবর দেখুন এখানে
© জনগণের বাণী | আইটি সহায়তাঃ সাব্বির আইটি
Developed By Bongshai IT