1. admin@jonogonerbani.com : admin :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের সেবা ও গণতন্ত্রের জন্য রাজনীতি করে: এলজিআরডি মন্ত্রী ড. মঈন খান ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানায় বকেয়া বেতন ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ইসলামের আদর্শ অনুসরণ করেই প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন- ড. মঈন খান ড. মঈন খান মন্ত্রী হওয়ায় পলাশে মিষ্টি বিতরণ মন্ত্রী হওয়া’র পর ফুলে ফুলে সিক্ত ড. আব্দুল মঈন খান ড. আব্দুল মঈন খান ‘স্হানীয় সরকার মন্ত্রী’ খবরে- আনন্দে নেতাকর্মীদের মিষ্টি বিতরণ নরসিংদীর পলাশে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন পলাশে খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালিত, আপোষহীন নেত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে অঙ্গীকার নেতাকর্মীদের পলাশে ছাত্রদল নেতা মাসুম হত্যার প্রধান আসামীসহ কক্সবাজার থেকে ৫ জন গ্রেপ্তার পলাশে ভুয়া খাজনার দাখিলা দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করার সময় ‘সিভিল কোর্ট কমিশনার’ গ্রেফতার

ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানায় বকেয়া বেতন ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

মোঃ নাজমুল হক মণি
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানার শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি পরিশোধ, বকেয়া বেতন প্রদান এবং পূর্বঘোষণা ছাড়া শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কারখানার ব্যাগিং সেকশনের মূল ফটকের সামনে থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। সারকারখানার ব্যাগিং শাখার প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক, কর্মচারী এতে অংশ নেন।

বিক্ষোভ মিছিলটি কারখানার ব্যাগিং সেকশনের মূল ফটক থেকে শুরু হয়ে লোড-আনলোড গেইটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফটক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা তাদের দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা আদায় এবং আকস্মিক ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে শ্রমিকরা অভিযোগ করে জানান, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জহিরুল ইসলাম এই সারকারখানায় কাজ করে শ্রমিকদের লাখ লাখ টাকা বকেয়া রেখেই পালিয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে নতুন করে আবারও একই প্রতিষ্ঠান কাজ পেলেও কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ৪০-৫০ বছর ধরে কাজ করা পুরোনো শ্রমিকদের বাদ দিয়েছে। তাদের পরিবর্তে আশুগঞ্জ সার কারখানা থেকে শ্রমিক এনে এখানে কাজ করাচ্ছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যেখানে ৫০০ টাকা মজুরি দিয়ে পূর্বের শ্রমিকরা কাজ করে কোন মতে জীবন যাপন করছিল সেখানে মাত্র ৩০০ টাকা মজুরি দিয়ে নতুন শ্রমিকদের কাজ কারানোটা চুরি ছাড়া সম্ভব নয় মনে করছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। যার ফলে দীর্ঘদিনের এই অভিজ্ঞ শ্রমিকরা চরম অনিশ্চয়তা ও দিশেহারা অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

শ্রমিকদের এই আন্দোলনের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—দ্রুত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করা, বিগত দিনে বকেয়া থাকা সমস্ত মজুরি ও বেতন পরিশোধ করা, কোনো ধরনের বৈষম্য ছাড়াই পুরোনো অভিজ্ঞ শ্রমিকদের স্বপদে বহাল রেখে কাজের সুযোগ দেওয়া। কারখানার স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত শ্রমিকরা। এ দিকে পরিস্থিতি নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী শ্রমিক ও স্থানীয় সচেতন মহল।

আরো খবর দেখুন এখানে
© জনগণের বাণী | আইটি সহায়তাঃ সাব্বির আইটি
Developed By Bongshai IT