1. admin@jonogonerbani.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
স্হানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের সুস্থতা কামনায় পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবে দোয়া মাহফিল জাতী,ধর্ম বর্ণের মধ্যে বিভেদ হতে দিবো না : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মঈন খান পলাশের ডাংগা ইউনিয়ন যুবদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত দেড় লাখ টাকা অটোর জন্য প্রাণ গেল মনিরের: ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের প্রধান দুই আসামি পিবিআই জালে পলাশে যুবককে কুপিয়ে জখম ও মারধরের অভিযোগ ঘোড়াশাল সার কারখানায় সারের ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধ করলো বিএনপির নেতৃবৃন্দ ইতালির লোভ দেখিয়ে প্রলোভন ও প্রতারণা: পিবিআই নরসিংদীর সফল অভিযানে ধরা পড়ল পাচার চক্রের হোতা বিএনপি সরকারের অবদানেই শিক্ষকরা শতভাগ বেতন সুবিধা পাচ্ছেন: ড. মঈন খান পলাশ সার কারখানায় সাবেক শ্রমিকের বিকৃত মরদেহ উদ্ধার পিপিএম-সেবা পদকে ভূষিত হয়েছেন- এসআই মনজুর রহমান

মোবাইলে ডেকে নিয়ে হামলা, ৩দিন পর যুবকের মৃত্যু

মোঃ নাজমুল হক মণি
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১০ মার্চ, ২০২৪

নরসিংদীর পলাশে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত মামুন মিয়া ৩দিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে মৃত্যুবরণ করেন।

মামুন মিয়া (২৬) উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের কাজির চর গ্রামের কিরন মিয়ার ছেলে।সে আ.লীগের কর্মী ছিলেন।
জানা যায়,পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্য গত মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে মোবাইল ফোনে মামুন মিয়াকে বাড়ি থেকে রাস্তায় ডেকে নিয়ে রাম দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ডাংগা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সমর্থিত সিরাজ গং।

তাকে আশংকাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ হামলায় আরো চারজন গুরতর আহত হন। তারা হলেন (১)কিরন মিয়া(২)কিরন মিয়ার স্ত্রী লাকি বেগম(৩)কিরন মিয়ার ছেলে মাসুম (৪)বাবুল মিয়া। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

এ ঘটনায় নিহত মামুনের বাবা কিরন মিয়া বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ১০-১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি বিরুদ্ধে পলাশ থানায় একটি মামলা(নং-০৬) দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় (১) সিরাজ মিয়াকে। অন্যান্য আসামীরা হলেন- (২) মোমেন (৩) মোজাম্মেল সর্ব পিতা. নুরুল ইসলাম (৪) রাজন (৫) নাদিম- উভয় পিতা. সিরাজ মিয়া (৬) শাকিব পিতা. মোজাম্মেল (৭) সোহেল (৮)জুয়েল-উভয় পিতা.মন্নান (৯) আরিফ- পিতা. ইদ্রিস আলী, (১০) রাজিব- পিতা.লেহাজ উদ্দিন (১১) রায়হান- পিতা.সামসুল(১২) ডালিম- পিতা.ফজলুল হক ও(১৩) সুজন- পিতা. শরাফত আলী।

নিহত মামুন মিয়ার বাবা কিরন মিয়া জানান, আমরা সারাজীবন ধরে আওয়ামীলীগ করতেছি। স্হানীয় চেয়ারম্যানের সভা-সমাবেশে আমরা কেন যাই এ নিয়ে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন আমাকে এবং আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এর জেরেই আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই। আমি প্রধানমন্ত্রী ও এমপি’র কাছে এর বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয় জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও দেলোয়ার হোসেন ও সিরাজ মিয়াসহ কাউকেই এলাকায় পাওয়া যায়নি। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।

পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জসিম উদ্দিন জানান,দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুরুতর আহত মামুন মিয়া ঢাকায় মারা গেছেন বলে শুনেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এ দিকে মামুনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তাঁর মৃত্যুতে শোক, প্রতিবাদ ও আইনের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান, স্হানীয় আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

আরো খবর দেখুন এখানে
© জনগণের বাণী | আইটি সহায়তাঃ সাব্বির আইটি
Developed By Bongshai IT