1. admin@jonogonerbani.com : admin :
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের সেবা ও গণতন্ত্রের জন্য রাজনীতি করে: এলজিআরডি মন্ত্রী ড. মঈন খান ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানায় বকেয়া বেতন ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ইসলামের আদর্শ অনুসরণ করেই প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন- ড. মঈন খান ড. মঈন খান মন্ত্রী হওয়ায় পলাশে মিষ্টি বিতরণ মন্ত্রী হওয়া’র পর ফুলে ফুলে সিক্ত ড. আব্দুল মঈন খান ড. আব্দুল মঈন খান ‘স্হানীয় সরকার মন্ত্রী’ খবরে- আনন্দে নেতাকর্মীদের মিষ্টি বিতরণ নরসিংদীর পলাশে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন পলাশে খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালিত, আপোষহীন নেত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে অঙ্গীকার নেতাকর্মীদের পলাশে ছাত্রদল নেতা মাসুম হত্যার প্রধান আসামীসহ কক্সবাজার থেকে ৫ জন গ্রেপ্তার পলাশে ভুয়া খাজনার দাখিলা দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করার সময় ‘সিভিল কোর্ট কমিশনার’ গ্রেফতার

মোবাইলে ডেকে নিয়ে হামলা, ৩দিন পর যুবকের মৃত্যু

মোঃ নাজমুল হক মণি
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১০ মার্চ, ২০২৪

নরসিংদীর পলাশে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত মামুন মিয়া ৩দিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে মৃত্যুবরণ করেন।

মামুন মিয়া (২৬) উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের কাজির চর গ্রামের কিরন মিয়ার ছেলে।সে আ.লীগের কর্মী ছিলেন।
জানা যায়,পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্য গত মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে মোবাইল ফোনে মামুন মিয়াকে বাড়ি থেকে রাস্তায় ডেকে নিয়ে রাম দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ডাংগা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সমর্থিত সিরাজ গং।

তাকে আশংকাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ হামলায় আরো চারজন গুরতর আহত হন। তারা হলেন (১)কিরন মিয়া(২)কিরন মিয়ার স্ত্রী লাকি বেগম(৩)কিরন মিয়ার ছেলে মাসুম (৪)বাবুল মিয়া। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

এ ঘটনায় নিহত মামুনের বাবা কিরন মিয়া বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ১০-১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি বিরুদ্ধে পলাশ থানায় একটি মামলা(নং-০৬) দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় (১) সিরাজ মিয়াকে। অন্যান্য আসামীরা হলেন- (২) মোমেন (৩) মোজাম্মেল সর্ব পিতা. নুরুল ইসলাম (৪) রাজন (৫) নাদিম- উভয় পিতা. সিরাজ মিয়া (৬) শাকিব পিতা. মোজাম্মেল (৭) সোহেল (৮)জুয়েল-উভয় পিতা.মন্নান (৯) আরিফ- পিতা. ইদ্রিস আলী, (১০) রাজিব- পিতা.লেহাজ উদ্দিন (১১) রায়হান- পিতা.সামসুল(১২) ডালিম- পিতা.ফজলুল হক ও(১৩) সুজন- পিতা. শরাফত আলী।

নিহত মামুন মিয়ার বাবা কিরন মিয়া জানান, আমরা সারাজীবন ধরে আওয়ামীলীগ করতেছি। স্হানীয় চেয়ারম্যানের সভা-সমাবেশে আমরা কেন যাই এ নিয়ে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন আমাকে এবং আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এর জেরেই আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই। আমি প্রধানমন্ত্রী ও এমপি’র কাছে এর বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয় জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও দেলোয়ার হোসেন ও সিরাজ মিয়াসহ কাউকেই এলাকায় পাওয়া যায়নি। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।

পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জসিম উদ্দিন জানান,দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুরুতর আহত মামুন মিয়া ঢাকায় মারা গেছেন বলে শুনেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এ দিকে মামুনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তাঁর মৃত্যুতে শোক, প্রতিবাদ ও আইনের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান, স্হানীয় আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

আরো খবর দেখুন এখানে
© জনগণের বাণী | আইটি সহায়তাঃ সাব্বির আইটি
Developed By Bongshai IT