1. admin@jonogonerbani.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ভারতে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে পলাশে আল-খিদমাহ্ উলামা পরিষদের প্রতিবাদ সমাবেশ বন্ধ থাকা পাটকল ইজারার মাধ্যমে চালু কর‍তে চাই : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী পলাশে ১২০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পলাশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পলাশে ডাব পারাকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যা রূপগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যা বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদেই দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব: ড. আব্দুল মঈন খান পলাশে যুবদল নেতার ঈদ উপহার পেলেন দুই সহস্রাধিক পরিবার নরসিংদীতে আল-জাফরান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ নরসিংদীর পলাশে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোধে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু

গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চলছে তেলেসমাতি কান্ড

গাজীপুর প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৩

গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পুলিশ রেকর্ড খাতায় রোগীর মেডিকেল রেকর্ড টেম্পারিং করে গুরুতর সার্টিফিকেট দিয়ে নিরীহ লোকদের ফাঁসানোর চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরজমিন তদন্তে এর সত্যতা পাওয়া যায়। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি জাল মেডিকেল সর্টিফিকেট চক্র। এই চক্রের দেওয়া জাল মেডিকেল সার্টিফিকেটের উপর ভিত্তি করে নিরীহ ভুক্তভোগীদের জেল ও জরিমানা হতে পারে। এই অপরাধের সঙ্গে খোদ হাসপাতালের কর্মচারীরা জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতালের জরুরী বিভাগের রোগী রেজিস্টার খাতায় হাসপাতালের একজন কর্মচারীর যোগসাজসে অন্য রোগীর মেডিকেল রেকর্ডে রোগীর নাম-ঠিকানার অংশ ফ্লুইড দ্বারা ঢেকে দিয়ে জনৈক মো. ফারুক মিয়ার নাম-ঠিকানা বসিয়েছে। এই সূত্রে মেডিকেল সার্টিফিকেট দেওয়ার চেষ্টা চলছিল, যাতে টেম্পারিং মেডিকেল সার্টিফিকেটের উপর ভিত্তি করে প্রতিপক্ষের দীর্ঘমেয়াদী জেল ও জরিমানা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই টেম্পারিং করা মেডিকেল রেকর্ডের ভিত্তিতে জনৈক ফারুক মিয়া গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানাধীন এনায়েতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী ও রমজান আলীসহ আরও অজ্ঞাত ৪/৫ জনের নামে গত ২২ অক্টোবর তারিখে গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় অভিযোগ একটি মামলা দায়ের করে। সদর থানা মামলা (নম্বর: ৫০/৪১৩)।
মামলার অভিযোগপত্র ও প্রাথমিক তথ্য বিবরণী অনুযায়ী মো. ফারুক মিয়া গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কাশিমপুর থানার পূর্ব এনায়েতপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম আব্দুল হেকিম।শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তার নজরে এসেছে।। তিনি তার অফিস কক্ষে পুলিশ রেকর্ড খাতা সাংবাদিকদের দেখান। এ সময় টেম্পারিংয়ের কথা স্বীকার করে ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “দেখলাম যে ফ্লুইড লাগানো আছে। এটা ফ্লুইড দিয়ে ওভারল্যাপিং করা আছে এইটা সত্যি কথা। পুলিশ খাতায় ফ্লুইড দিয়ে ঘষামাজা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। এটা বড় ধরণের অপরাধ। এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অবশ্যই এর জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে।”ব্যপক অনুসন্ধানে জানা যায়, অত্র হাসপাতালের এসএসএম মফিজ উদ্দিন এ ঘটনার সাথে জড়িত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে মামলার প্রধান আসামী ইদ্রিস আলীকে পুলিশ গত সোমবার তার বাসা থেকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করে।

আরো খবর দেখুন এখানে
© জনগণের বাণী | আইটি সহায়তাঃ সাব্বির আইটি
Developed By Bongshai IT