1. admin@jonogonerbani.com : admin :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
স্হানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের সুস্থতা কামনায় পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবে দোয়া মাহফিল জাতী,ধর্ম বর্ণের মধ্যে বিভেদ হতে দিবো না : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মঈন খান পলাশের ডাংগা ইউনিয়ন যুবদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত দেড় লাখ টাকা অটোর জন্য প্রাণ গেল মনিরের: ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের প্রধান দুই আসামি পিবিআই জালে পলাশে যুবককে কুপিয়ে জখম ও মারধরের অভিযোগ ঘোড়াশাল সার কারখানায় সারের ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধ করলো বিএনপির নেতৃবৃন্দ ইতালির লোভ দেখিয়ে প্রলোভন ও প্রতারণা: পিবিআই নরসিংদীর সফল অভিযানে ধরা পড়ল পাচার চক্রের হোতা বিএনপি সরকারের অবদানেই শিক্ষকরা শতভাগ বেতন সুবিধা পাচ্ছেন: ড. মঈন খান পলাশ সার কারখানায় সাবেক শ্রমিকের বিকৃত মরদেহ উদ্ধার পিপিএম-সেবা পদকে ভূষিত হয়েছেন- এসআই মনজুর রহমান

নরসিংদীতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে পেটালেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য

মোঃখায়রুল ইসলাম
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০২২

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ইছাখালি ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুর রহিম পাঠানের বিরুদ্ধে। গত সোমবার (১৩ জুন) বিকালে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের তালতলি বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার রাতেই ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ আ.ক.ম রেজাউল করিম পলাশ থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ আ.ক.ম রেজাউল করিম জানান, ইছাখালি ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি নিয়ে প্রায় ৪/৫ মাস ধরে এলাকার কয়েক জনের সাথে মনোমালিন্য চলে আসছিল। সেই সুযোগে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রহিম পাঠান মাদ্রাসার রশিদ বই নিয়ে গিয়ে কোনো হিসেব দিচ্ছিলেন না। এসব নিয়ে আব্দুর রহিম পাঠানের সাথে একাধিকবার মনোমালিন্য হয়।অধ্যক্ষ আরও জানান, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য আব্দুর রহিম পাঠান বিশৃঙ্খলা করার জন্য একটি নাটক সাজিয়ে সোমবার সকালে তার ছেলে (এই মাদ্রাসার দাখিল ১০ম শ্রেণির ছাত্র) মেহেদী পাঠানকে মাদ্রাসায় পাঠায়। এ দিন মাদ্রাসায় অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা শুরুর প্রায় ১০ দিন পূর্বে মাদ্রাসার বেতন, সেশন চার্জ ও পরীক্ষার ফিস পরিশোধ করার নোটিশ থাকার পরও পরীক্ষার দিন (সোমবার) সকালে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষকে মৌখিকভাবে অনুরোধ করেন মেহেদী পাঠান। এ সময় ছাত্র মেহেদীকে তার বাবাকে ফোন দিয়ে আনার কথা বলেন অধ্যক্ষ রেজাউল করিম।এর কিছুক্ষণ পর পরিচালনা কমিটির সদস্য আব্দুর রহিম পাঠান মাদ্রাসায় এসে অধ্যক্ষের রুমে প্রবেশ করেই দুর্ব্যবহার শুরু করেন। পরে অধ্যক্ষ রেজাউল করিম এক সহকারী শিক্ষকের মোটরসাইকেল দিয়ে বাড়ি যাওয়ার জন্য মাদ্রাসা থেকে বের হন। মাদ্রাসার বাইরে আগে থেকেই উৎপেতে থেকে আব্দুর রহিম পাঠান সামনে দাঁড়িয়ে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে রাস্তায় ফেলে অধ্যক্ষকে পেটাতে থাকেন। এরপর আশপাশের লোকজন ছুটে এলে আব্দুর রহিম পাঠান চলে যায়।এ বিষয়ে আব্দুর রহিম পাঠানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মারধর করার ঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন, পরীক্ষার দিন আমার ছেলেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার বিষয়টি রাস্তায় দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করার জন্যই মোটরসাইকেল থামাতে বলেছিলাম। ওনাকে কোনো মারধর করা হয়নি।এ ব্যাপারে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, অধ্যক্ষকে মারধরের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আরো খবর দেখুন এখানে
© জনগণের বাণী | আইটি সহায়তাঃ সাব্বির আইটি
Developed By Bongshai IT